• ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Get To Gather

নিবন্ধ

পুনর্মিলন (ছোট গল্প)

ভোর থেকে অন্তরাদের বাড়িতে হৈ হৈ কান্ড। আজ সরস্বতী পূজো। ওদের বাড়িতে বরাবর খুব বড় করে পূজো হয়। ওর দাদু খুব নাম করা সাহিত্যিক ও অধ্যাপক প্রিয়ব্রত সরকার। বাড়িতে পূজো উপলক্ষে অনেক নাম করা লোকজন আসেন। আসে ওনার ছাত্র ছাত্রীরা। বাড়ি গমগম করে। আজ আবার তার সাথে যুক্ত হয়েছে অন্তরার বিয়ের পাকা দেখা। পাত্র পক্ষের তরফ থেকে আজকের দিনের কথা বলা হয়েছে। অন্তরা প্রিয়ব্রত বাবুর একমাত্র নাতনী। ওনার ছোটো ছেলে দেবব্রত সরকারের একমাত্র মেয়ে। একটা পথ দুর্ঘটনায় দেবব্রত আর ওনার স্ত্রী মেয়েকে একা করে দিয়ে চলে গেল। তখন অন্তরার তখন চার। তারপর প্রিয়ব্রত বাবু আর ওনার স্ত্রী বুকে করে ওকে মানুষ করেন। সকাল থেকে অন্তরা আর ওর ছোটো বৌদি ইপ্সিতা পূজোর জোগাড় করতে ব্যস্ত। দুজনের মধ্যে সম্পর্ক খুব মধুর, যেন দুই বন্ধু। ইপ্সিতা লক্ষ্য করে অন্তরা যেন কয়েকদিন একটু অন্যমনস্ক রয়েছে; আজ তো আবার দেখে মনে হচ্ছে রাতে ঘুমায়নি।কাজ করতে করতেই বলে কদিন ধরে লক্ষ্য করছি তুই একটু যেন চাপে আছিস! কী হয়েছে? এই বিয়েতে কি তোর মত নেই? তাহলে দাদুকে বলে দে। নারে বৌমনি ঠিক বিয়ের জন্য নয় আমি চাপে আছি অন্য একটা কারনে। কি কারণে? দ্যাখ বিয়েটা যে আমি খুব খুশি হয়ে করছি তা নয়। তবে আমার চাপের কারণ অন্য। কয়েক দিন যাবৎ একজন খুব জ্বালাচ্ছে ফোনে। মানে! কীভাবে? কল করে? না না কল নয়। তাহলে? কিছু মেসেজ যেগুলো আমাকে ভাবাচ্ছে। ঠিক বুঝতে পারছি না, খুলে বল। বলবো, তোকে ছাড়া কাকে বলে বলবো; এখন কাজগুলো চটপট সেরে নিই তারপর উপরে গিয়ে সব বলছি। ঠিক আছে তাই হবে। যদি কিছু করতে পারি। এরপর দুজনে কাজে মন দেয়। প্রিয়ব্রত বাবু সরস্বতী পূজোর ব্যাপারে খুব খুঁতখুঁতে। উনি সবসময় বলেন দিদিভাই আমাদের তো দেবী সরস্বতীর দয়াতেই সব তাই দেবীর আরাধনা খুব যত্ন করে, নিষ্ঠার সাথে করতে হবে। অন্তরা সেই ছোটো থেকে দাদু ও ঠাম্মার সাথে ঠাকুরের কাজ করতে করতে সব শিখে নিয়েছে। এখন ঠাম্মা নেই; বছর তিন আগে চলে গেছে তারাদের দেশে। এখন অন্তরার দোসর ইপ্সিতা, ওর জ্যাঠতুতো দাদা শুভমের বৌ। প্রিয়ব্রত বাবুর বড়ো ছেলে ঋতব্রত সরকার পেশায় উকিল। তার দুই ছেলে প্রীতম বড়ো আর শুভম ছোট। বড়ো বাবার মতো উকিল আর ছোট দাদুর পথ বেছে নিয়েছে। ওর স্ত্রী শিক্ষিকা। বড়ো ছেলে স্থানীয় এক বড়ো লোক ব্যবসায়ীর একমাত্র মেয়েকে বিয়ে করে শ্বশুর বাড়ির কাছেই থাকে। মাঝে মধ্যে আসে বাড়িতে তবে বড়ো বৌ এর সাথে ছোট জা বা ননদের তেমন ভাব নেই। বড়ো লোকের মেয়ে বলে একটু নাক উঁচু। পূজোর জন্য এখানে উপস্থিত হয়েছে সে। তবে কোনো কাজে সে নেই। তাছাড়া বড়ো দাদা হিসেবে প্রীতম কে থাকতে বলেছেন দাদু। কোনো একটা কারণে দাদু নাতির মধ্যে একটা ঠান্ডা লড়াই আছে সেটা বোঝে অন্তরা, কিন্তু জানেনা সঠিক ভাবে। দাদু কে ও খুব ভালোবাসে শুধু নয় শ্রদ্ধা ও করে খুব। দাদু কে এই সরস্বতী পূজার সময় অন্তরার মনে হয় ছোটো বাচ্চা। ওরা সব ঠিকঠাক করে গুছিয়ে বাকি দায়িত্ব ছাত্র ছাত্রীদের দিয়ে উপরে চলে যায়। উপরে গিয়েই ইপ্সিতা অন্তরাকে বলে আগে বল কি ব্যাপার? তুই তো জিৎ এর কথা জানিস, আমার বন্ধু আবীরের পিসির ছেলে। আবীরের দিদির বিয়েতে পরিচয় হয়েছিল। হ্যাঁ বলেছিলি যে তোকে ওর পছন্দ ছিল। বেশি কিছু না। হ্যাঁ তোকে তখন ওটুকুই তোকে বলেছিলাম। আসলে বলতে ইচ্ছা করেনি। কিন্তু আজ তোকে সবটুকু না বললে হবে না। বেশ সে বলবি; কিন্তু ওর কথা আসছে কেন হঠাৎ! ও তো কবেই হারিয়ে গেছে ,ইপ্সিতা বলে। তুই তো বলেছিলি ও ধুমকেতুর মতো এসেছিল আবার হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে সেইভাবেই। একদমই তাই। এরকমই এক সরস্বতী পূজোর দিন সে আমাকে প্রপোজ করে, আমাদের কলেজের সরস্বতী পূজার প্রোগ্রামে গান গাইতে গেছিলাম, আবীরের সাথে ও এসেছিল। প্রোগ্রাম শেষে সেদিন আমাকে ও প্রোপোজ করে। আমি সেদিন কোনো কথাই বলতে পারিনি, শুধু ফোন নম্বর আদানপ্রদান হয় মাত্র। ও তখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে। তারপর ফোনে কথা হতো, হোয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন রকম কবিতা, গল্প, জ্ঞানীগুণী মানুষের উক্তি পাঠানো ছিল ওর রোজকার অভ্যাস। ওর মধ্যে কোনোদিন কোনো খারাপ কিছু পাইনি। তাই বেশ ভালো লাগতো কথা বলতে। আমরা দেখা করেছি মাত্র দু চারবার । এইভাবেই বেশ চলছিল ; কিন্তু কি যে হলো কি জানি! একবছর পর আবার সেই সরস্বতী পূজোর সময়, পূজোর পরেরদিন একটা কফি শপে যাই দেখা করতে। অনেকটা সময় কাটাই ,দুজনের জীবনের স্বপ্ন ইচ্ছা এসব নিয়ে আলোচনা হয়; পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিই পরস্পরকে। তারপর একটা সময় যে যার মত নিজের নিজের জায়গায় ফিরে যাই। সেদিন থেকেই শুরু হয় ছন্দ পতন। ফোন বন্ধ, কোনো মেসেজের উত্তর নেই, কল নেই। তারপর হঠাৎ একদিন মেসেজ করে যদি সত্যি আমাকে ভালোবেসে থাকো তাহলে অপেক্ষা করো আমি আবার ফিরে আসবো। ব্যস আর কোন সাড়া শব্দ নেই তারপর থেকে। আবীরের কাছেও কোনো খবর পাই না। প্রায় ছ বছর হতে চলল। তারপর কত কিছুই তো ঘটে গেছে সব তুই জানিস, শুনেছি ছোড়দার কাছ থেকে। আমার বিয়ে নিয়ে বড়দা আর জ্যেঠুর সাথে দাদু ভাই এর অশান্তি। তখন যদি ছোড়দা দাদু ভাই এর পাশে না থাকতো তাহলে কি যে হতো শেষ পর্যন্ত জানিনা। সব কিছু সামলে দাদু ভাই আর ছোড়দার সাহায্যে আজ আমি পড়াশোনা শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পেরেছি। তার সাথে মনের মধ্যে একটা আশা ছিল তাই অপেক্ষাও করেছি। কিন্তু দাদু ভাই বিয়ের কথা বলায় এবার আর আমি কিছু বলতে পারিনি। কারন আমার কাছে আর কোনো অজুহাত নেই। আর সমস্যা শুরু সেই দিন থেকে। আবার আমার ফোনে সেইসব মেসেজ যে রকম জিৎ পাঠাতো। কাল রাতে তো আবার আমি কাল আসছি এই মেসেজ পাঠায় এই দ্যাখ বলে ফোনটা দেখায় ইপ্সিতাকে। এখন বোঝ আমি কি অবস্থায় আছি। একদিকে দাদু ভাই এর অতিথিরা আসছে এখন যদি আমি না বলি তাহলে দাদু ভাই এর সম্মানহানি হবে আবার অন্য দিকে আমার ভালোবাসাকে অস্বীকার করা হবে দাদু ভাই এর সাথে সহমত হলে। আমি কি করি এখন তুই আমাকে বলে দে বৌমনি বলে অন্তরা ইপ্সিতাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে। ইপ্সিতা ওকে শান্ত করার চেষ্টা করে। বলে আজকের দিনটা দাদুর অতিথিদের সামনে চল । তারপর তোর দাদার সাথে কথা বলে দেখি কি করা যায়। দুজন এরপর ঠিকঠাক হয়ে নেমে আসে। ওদের দেখে প্রিয়ব্রত বাবু বলেন এই তো আমার দুই জীবন্ত সরস্বতী এসে আমার উৎসবের প্রান সঞ্চার করলো। পূজো হলো, ভোগ বিতরণ পর্ব শেষ হতে হতে প্রায় বিকেল হয়ে গেল। এরপর বিকেলের সেই বিশেষ পর্ব। অনিচ্ছা সত্ত্বেও প্রীতম আর ওর স্ত্রী সঞ্চারী থেকে গেল। দাদুর কথায় সঞ্চারী অন্তরার ঘরে গেল দেখতে ও তৈরি হয়েছে কিনা দেখতে। অন্তরা তখনও বসে আছে হাতে ফোন নিয়ে। মুখে চোখে দুশ্চিন্তার ছাপ। যদিও সঞ্চারীর চোখে সেসব পরে না। ঘরের ভিতর গিয়ে বলে কিরে এখনও তৈরি হোস নি? ওরা এলো বলে তাই দাদুর কথায় দেখতে এলাম। কেন যে তখন তোর বড়দার কথায় রাজি হলি না! আজ তাহলে কোথায় থাকতিস। অন্তরা এসব কথায় বিরক্ত হয় ও বলে তুমি গিয়ে দাদুকে বলো আমি যাচ্ছি। এখন আর এসব ভালো লাগছে না। অন্তরার কথায় সঞ্চারী রাগ করে। বলে ঠিক আছে আমি চলে যাচ্ছি। দাদুর কথায় এসেছিলাম। আমার কি দরকার তোর ঘরে আসার। সঞ্চারী বেরিয়ে যেতেই ইপ্সিতা ঘরে ঢোকে। দিদি ভাই কি বলতে এসেছিল রে? জিজ্ঞাসা করে। দাদুর কথায় দেখতে এসে ছিল আমি তৈরি হয়েছি কিনা। আর এসে সেই পুরোনো কাসুন্দি। তুই বা এখনো তৈরি হোস নি কেন? কি করে হবো! এই দ্যাখ বলে ফোনটি দেখায় মেসেজ আমি আসছি। এবার ইপ্সিতা ও একটু যেন ঘাবড়ে যায়। কি হবে এবার? আমার এখন মরে যেতে ইচ্ছা করছে। তুই যে কি বলিস অন্তু?? একদম আজেবাজে বকবিনা।। এখন এগুলো পড়ে তৈরি হয়ে নে। এই বলে একটা ঢাকাই শাড়ি আর কিছু হালকা গয়না দেয়। বেশ শাড়িটা পড়ছি কিন্তু গয়না পড়েন না। আবার ওরকম করে! এনেছি তোর জন্য পড় না সোনা বলে ইপ্সিতা অন্তরার গাল ধরে আদর করে দেয়। ধুর তুই ও বুঝতে পারছিস না বৌমনি! সব বুঝতে পারছি কিন্তু এই মূহুর্তে কিছু করার নেই। ওনারা এসে গেছেন। দাদু তোমার জন্য অপেক্ষা করছেন। এরপর আর কিছু বলার থাকে না অন্তরার। ও তৈরি হয়ে ইপ্সিতার সাথে নিচে যায়। নীচে বসার ঘরে সবাই বসে আছে দাদু, জ্যেঠু, দাদারা বসে আছেন অতিথিদের সাথে। অন্তরা আসলে দাদু উঠে এসে ওকে সবার সামনে নিয়ে এসে বলেন দেখো তো দিদি ভাই আমার পছন্দ করা পাত্র কে তোমার মনে ধরে কিনা? তোমার পছন্দ হলে তবেই আমি কথা এগিয়ে নিয়ে যাবে। যে দিন থেকে বিয়ের কথা বলেছি সেদিন থেকেই তোমার মুখে আষাঢ় মাসের মত মেঘের ঘনঘটা দেখছি। অন্ত লজ্জা পায়। তখন ওর ছোড়দা শুভম বলে ওঠে ঠিক বলেছো দাদু মনে হচ্ছে ওকে আমরা দ্বীপান্তর করে দেব। বলে হাসতে থাকে শুভম। আর একটা হাসির আওয়াজ কানে যেতেই চমকে ওঠে অন্তরা। এ কাকে দেখছে! ওর অবস্থা দেখে দাদু মুচকি হাসে। অন্তরার অবস্থা দেখে দাদু বলে ওঠেন কি হল দিদি ভাই পাত্র কি তোমার পছন্দ হয়নি? তাহলে এখনই বলো আমি নাকোচ করে দিই। দাদুর কথায় সম্বিত ফিরে পায় অন্তরা। ও মাথা নামিয়ে নেয়। ওর চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে আসে। দাদু বোঝেন তাই ইপ্সিতার দিকে তাকিয়ে বলেন নাতবৌমা যাও তো ওদের দুজনকে উপরে নিয়ে যাও। ওরা নিজেদের মধ্যে কথা বলে নিক। অন্তরা একথা শুনে স্বস্তি পায়। ওর তো তখন মূর্ছা যাওয়ার মতো অবস্থা। সত্যি না স্বপ্ন সেটাই ঠিক করে বুঝে উঠতে পারছে না। দাদুর কথা শুনে বাকিরা মুচকি হাসেন। অন্তরা সেদিকে না তাকিয়ে তাড়াতাড়ি ঘর থেকে বেরিয়ে উপরে ওর ঘরে চলে যায়। ও বুঝতে পারছে না কি ঘটছে! এটা কি করে সম্ভব? দাদু ওকে কোথায় পেলো? সত্যি কি ও দাদুর ছাত্রের ছেলে? এরকম অনেক প্রশ্ন অন্তরার মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে, এমন সময় কী খুব অবাক হয়েছো তো? আমি কি বলেছিলাম ? আমি ঠিক ফিরে আসব। এসেছি তো ফিরে। হ্যাঁ এভাবে আসবো এটা তুমি ভাবতে পারোনি। কিন্তু আমি আমার বলা সময়ের মধ্যেই ফিরে এসেছিলেন। অবাক হয়ে ছলছল চোখে তাকিয়ে থাকে অন্তরা। আজ ওর ভাষা হারিয়ে গেছে। অথচ মন হাজার প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে। কি দেখছো? কিছু বলো। আজকের এই দিনটার জন্য অনেক কষ্ট করেছি, অনেক অপেক্ষা করেছি। বলে শত্রুজিৎ। অন্তরা কিছু বলতে পারেনা। আজ চোখের জলে ওর বুক ভেসে যাচ্ছে। এমন সময় দাদু আসেন আজকের এইদিনটির জন্য আমিও অপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু দিদি ভাই তোমার বিরুদ্ধে আমার অভিযোগ আছে। এবার দাদুর দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকায় অন্তরা। দাদু বলেন আমি জানতাম আমিই তোমার জীবনের সব থেকে বড় বন্ধু অথচ তুমি আমাকেই কিছু জানানো। এবার কথা বলে অন্তরা আমি কি বলতাম তোমাকে? আমি নিজেই যে কিছু বুঝতে পারিনি। দাদু বলেন ঠিক আছে বোঝার জন্য সময় দেওয়া হবে এখন চলো আমরা আশীর্বাদটা সেরে নিই। আশীর্বাদ পর্বের শেষে অন্তরা আর জিৎ কে একা ছেড়ে দিয়ে সবাই নিচে যায় জলযোগের ব্যবস্থা করতে। ওরা দুজন হঠাৎ এভাবে কাছাকাছি এসে কথা খুঁজে পায়না। কিছুক্ষণ কেটে যাওয়ার পর অন্তরা বলে ওঠে কি করে কি হলো আমাকে একটু পরিস্কার করে বলবে? আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। সব বলবো বলেন তো এসেছি। বলে শত্রুজিৎ হাত ধরে অন্তরাকে পাশে বসায়। তারপর বলে আমাকে ক্ষমা করো এছাড়া আমার উপায় ছিল না। ঘটনার শুরু যেদিন আমাদের শেষ দেখা হয় সেদিন থেকেই। আমাদের একসাথে দেখে তোমার বড়দা। তুমি গাড়িতে উঠে যাওয়ার পরে ওনারা মানে তোমার বড়দা আর বৌদি আমাকে অনেক কথা বলেন। সেসব আজ আর তোমাকে শুনতে হবে না। তবে আমি সেদিন এটি বুঝতে পারি তোমার সব স্বপ্ন আশা শেষ হতে চলেছে। যে স্বপ্নের কথা তুমি তার কিছু আগেই আমাকে বললে সেসব নষ্ট হয়ে যাবে এই আশঙ্কায় আমি আবীরের কাছ থেকে তোমার দাদুকে ফোন করি এবং সবটা ওনাকে জানাই। একটা কথা বলি তোমার দাদা বৌদি আমাকে বলেছিলেন তোমার সাথে যোগাযোগ রাখলে ওনারা তোমার ক্ষতি করে দেবেন। আমি দাদুকে সব জানাই। উনিই তখন আমাকে পরামর্শ দেন যে আমি যেন তোমার সাথে আপাততঃ যোগাযোগ না রাখি। দুজন দুজনের স্বপ্ন গুলো সফল করার জন্য সময় দিই। এটা আমাদের আর একটা পরীক্ষা ছিল আমরা সত্যিই ভালোবেসে ছিলাম কিনা। যদি এই সময়ের মধ্যে আমাদের জীবনে অন্য কারো প্রবেশ ঘটত তাহলে বুঝতে হতো আমরা ভালোবাসি নিয়ে পরস্পরকে। তাছাড়া তোমার রেজাল্ট সেবছর খুব খারাপ হয়ে ছিল। দাদুর মনে যে প্রশ্ন ছিল আমার সাথে কথা বলার পর তা উনি পরিস্কার বুঝতে পারেন তোমার রেজাল্ট খারাপ হওয়ার কারনে। তোমাকে খুব ভালো জানতেন তাই বলেন ওকে আঘাত না দিলে ও নিজেকে তৈরি করতে পারবে না। নিজেদের তৈরি করে তবেই আবার আমাদের দেখা হবে। এটাই ছিল দাদুর শর্ত। তখন আমার খুব রাগ হয়েছিল দাদুর উপর তবু মেনে নিয়েছিলাম একটা শর্তে দাদু যেন তোমার পাশে সবসময় থাকেন আর তোমার স্বপ্ন সফল করতে সাহায্য করেন। আজ দেখো আমরা নিজেদের প্রমাণ করতে পেরেছি। আজ মনে হচ্ছে দাদু যদি সেদিন ওটা না করতেন তাহলে আজকের এই আনন্দের দিন টা আসত না। অন্তরা স্তব্ধ হয়ে শুনে যাচ্ছে জিৎ এর কথা। আর ভাবছ কত কিছুই না ঘটে গেছে এ কবছরে অথচ ও কিছুই জানেনা। জিৎ বলে দাদুর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। আজ ওনার পরামর্শ শুনেছিলাম বলে জীবনে সফল হতে পেরেছি। আর দেখো আজও সেই সরস্বতী পূজোর দিন। এইদিন আমাদের বিচ্ছেদ ঘটে ছিল আবার আজ সরস্বতী পূজোর দিনেই আমাদের পুনর্মিলন হলো। আমরা সত্যিই মা সরস্বতীর আশীর্বাদ ধন্য। চলো এবার নীচে গিয়ে দাদুকে প্রনাম করি।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal